Tumblr posts tagged #reward from across Tumblr — no login required.
নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎🏆🎯💎 https://www.youtube.com/watch?v=1uCtZnw3kn8 https://www.youtube.com/watch?v=eMXbS3vyEN4 https://www.youtube.com/watch?v=49AoLvmAhb0 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)। আল্লাহ নেক আমলকারীদের সম্পর্কে বলেন, আর যারাই আল্লাহতায়ালার ওপর ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের কোনো আশঙ্কা নেই, কেননা আমি কখনো তাদের বিনিময় বিনষ্ট করি না, যারা নেক আমল করে। এদের জন্য রয়েছে এক স্থায়ী জান্নাত, তার পাদদেশ দিয়ে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, তাদের সেখানে সোনার কাঁকন দ্বারা অলংকৃত করা হবে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমের পোশাক। উপরন্তু তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কত সুন্দর তাদের এ বিনিময়, কত চমৎকার তাদের আশ্রয়ের স্থানটি। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ৩০-৩১)। সুবহানাল্লাহ। প্রত্যেক মুসলমান নিয়মিত আমলের মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। নিয়মিত আমল এবং আল্লাহকে ভয় মানুষকে পরকালে নাজাত পেতে সাহায্য করবে এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে যারা নিজেকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহ তাদের সুখ শান্তিময় বেহেশত দান করবেন। আল্লাহ বলেন, আজ প্রত্যেক মানুষকে সে পরিমাণ প্রতিফলই দেওয়া হবে যে পরিমাণ সে দুনিয়ায় অর্জন করে এসেছে, আজ কারো প্রতি কোনো রকম অবিচার করা হবে না, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসাব গ্রহণে তৎপর। (সুরা আল মুমিন, আয়াত ১৭)। কেয়ামতের ময়দানে কারো প্রতি আল্লাহ জুলুম করবেন না। সেদিন গুনাহ ও সওয়াবের মাধ্যমে সব জুলুমের বদলা নেওয়া হবে। সেদিন প্রত্যেককে তার কাজের হিসাব দিতে হবে। তা গোপন হোক কিংবা প্রকাশ্য। নেক কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায় বা পাপ কাজের জন্য ভোগ করতে হবে শাস্তি। তবে ক্ষমা বা মুক্তি থাকবে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, যে কোনো ব্যক্তিই নেক বা ভালো কাজ করে সে নিজের উপকার বা কল্যাণের জন্য করে আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে তার ওপরই তা বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনোই জুলুম করেন না। (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত ৪৬)। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস সাজানো রয়েছে। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ১০৭)। এজন্য রসুল (সা.) মানবজাতিকে সব অপকর্ম ও অন্যায় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও প্রতিরোধের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে অক্ষম হয় তবে যেন মুখ দ্বারা তা নিষেধ করে। যদি সে এতেও ব্যর্থ হয় তবে যেন সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করে। (মুসলিম শরিফ)। হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক। (বুখারি, ৬৪৬৫)। রসুল (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ওই আমলের সওয়াব লেখা হয়, যা সে ঘরে থেকে সুস্থ শরীরে তা করত। (বুখারি শরিফ)। হাদিসে আরো এসেছে, বান্দা যখন কোনো নেক আমল করতে থাকে এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার আমলনামা লেখার ফেরেশতাকে বলা হয় এই বান্দা সুস্থ অবস্থায় যে আমল করত (এখন অসুস্থ হওয়ায়) তার আমলনামায় তা লিখতে থাক। যতক্ষণ না তাকে আমি মুক্ত করে দিই অথবা তাকে আমার কাছে ডেকে আনি। (মিশকাত শরিফ, ১৫৫৯)। আল্লাহ বলেন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে হে নবী তুমি তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে এক জান্নাত যার নিচ দিয়ে ঝরনা প্রবাহিত হতে থাকবে। যখন তাদের জান্নাত থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে, এ ধরনের ফল তো ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূলত এ ধরনের জিনিসই সেখানে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আরো সেখানে থাকবে পবিত্র সহধর্মী ও সহধর্মিণী এবং তারা সেখানে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৫)। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেশি বেশি নেক আমল করে জান্নাত লাভের তৌফিক দান করুন। আমীন। ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন এবং আখেরাতে অনন্তকালের জন্য জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন🏆🎯💎 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎
নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎🏆🎯💎 https://www.youtube.com/watch?v=1uCtZnw3kn8 https://www.youtube.com/watch?v=eMXbS3vyEN4 https://www.youtube.com/watch?v=49AoLvmAhb0 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)। আল্লাহ নেক আমলকারীদের সম্পর্কে বলেন, আর যারাই আল্লাহতায়ালার ওপর ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের কোনো আশঙ্কা নেই, কেননা আমি কখনো তাদের বিনিময় বিনষ্ট করি না, যারা নেক আমল করে। এদের জন্য রয়েছে এক স্থায়ী জান্নাত, তার পাদদেশ দিয়ে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, তাদের সেখানে সোনার কাঁকন দ্বারা অলংকৃত করা হবে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমের পোশাক। উপরন্তু তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কত সুন্দর তাদের এ বিনিময়, কত চমৎকার তাদের আশ্রয়ের স্থানটি। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ৩০-৩১)। সুবহানাল্লাহ। প্রত্যেক মুসলমান নিয়মিত আমলের মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। নিয়মিত আমল এবং আল্লাহকে ভয় মানুষকে পরকালে নাজাত পেতে সাহায্য করবে এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে যারা নিজেকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহ তাদের সুখ শান্তিময় বেহেশত দান করবেন। আল্লাহ বলেন, আজ প্রত্যেক মানুষকে সে পরিমাণ প্রতিফলই দেওয়া হবে যে পরিমাণ সে দুনিয়ায় অর্জন করে এসেছে, আজ কারো প্রতি কোনো রকম অবিচার করা হবে না, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসাব গ্রহণে তৎপর। (সুরা আল মুমিন, আয়াত ১৭)। কেয়ামতের ময়দানে কারো প্রতি আল্লাহ জুলুম করবেন না। সেদিন গুনাহ ও সওয়াবের মাধ্যমে সব জুলুমের বদলা নেওয়া হবে। সেদিন প্রত্যেককে তার কাজের হিসাব দিতে হবে। তা গোপন হোক কিংবা প্রকাশ্য। নেক কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায় বা পাপ কাজের জন্য ভোগ করতে হবে শাস্তি। তবে ক্ষমা বা মুক্তি থাকবে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, যে কোনো ব্যক্তিই নেক বা ভালো কাজ করে সে নিজের উপকার বা কল্যাণের জন্য করে আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে তার ওপরই তা বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনোই জুলুম করেন না। (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত ৪৬)। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস সাজানো রয়েছে। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ১০৭)। এজন্য রসুল (সা.) মানবজাতিকে সব অপকর্ম ও অন্যায় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও প্রতিরোধের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে অক্ষম হয় তবে যেন মুখ দ্বারা তা নিষেধ করে। যদি সে এতেও ব্যর্থ হয় তবে যেন সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করে। (মুসলিম শরিফ)। হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক। (বুখারি, ৬৪৬৫)। রসুল (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ওই আমলের সওয়াব লেখা হয়, যা সে ঘরে থেকে সুস্থ শরীরে তা করত। (বুখারি শরিফ)। হাদিসে আরো এসেছে, বান্দা যখন কোনো নেক আমল করতে থাকে এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার আমলনামা লেখার ফেরেশতাকে বলা হয় এই বান্দা সুস্থ অবস্থায় যে আমল করত (এখন অসুস্থ হওয়ায়) তার আমলনামায় তা লিখতে থাক। যতক্ষণ না তাকে আমি মুক্ত করে দিই অথবা তাকে আমার কাছে ডেকে আনি। (মিশকাত শরিফ, ১৫৫৯)। আল্লাহ বলেন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে হে নবী তুমি তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে এক জান্নাত যার নিচ দিয়ে ঝরনা প্রবাহিত হতে থাকবে। যখন তাদের জান্নাত থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে, এ ধরনের ফল তো ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূলত এ ধরনের জিনিসই সেখানে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আরো সেখানে থাকবে পবিত্র সহধর্মী ও সহধর্মিণী এবং তারা সেখানে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৫)। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেশি বেশি নেক আমল করে জান্নাত লাভের তৌফিক দান করুন। আমীন। ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন এবং আখেরাতে অনন্তকালের জন্য জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন🏆🎯💎 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎
নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎🏆🎯💎 https://www.youtube.com/watch?v=1uCtZnw3kn8 https://www.youtube.com/watch?v=eMXbS3vyEN4 https://www.youtube.com/watch?v=49AoLvmAhb0 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)। আল্লাহ নেক আমলকারীদের সম্পর্কে বলেন, আর যারাই আল্লাহতায়ালার ওপর ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের কোনো আশঙ্কা নেই, কেননা আমি কখনো তাদের বিনিময় বিনষ্ট করি না, যারা নেক আমল করে। এদের জন্য রয়েছে এক স্থায়ী জান্নাত, তার পাদদেশ দিয়ে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, তাদের সেখানে সোনার কাঁকন দ্বারা অলংকৃত করা হবে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমের পোশাক। উপরন্তু তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কত সুন্দর তাদের এ বিনিময়, কত চমৎকার তাদের আশ্রয়ের স্থানটি। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ৩০-৩১)। সুবহানাল্লাহ। প্রত্যেক মুসলমান নিয়মিত আমলের মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। নিয়মিত আমল এবং আল্লাহকে ভয় মানুষকে পরকালে নাজাত পেতে সাহায্য করবে এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে যারা নিজেকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহ তাদের সুখ শান্তিময় বেহেশত দান করবেন। আল্লাহ বলেন, আজ প্রত্যেক মানুষকে সে পরিমাণ প্রতিফলই দেওয়া হবে যে পরিমাণ সে দুনিয়ায় অর্জন করে এসেছে, আজ কারো প্রতি কোনো রকম অবিচার করা হবে না, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসাব গ্রহণে তৎপর। (সুরা আল মুমিন, আয়াত ১৭)। কেয়ামতের ময়দানে কারো প্রতি আল্লাহ জুলুম করবেন না। সেদিন গুনাহ ও সওয়াবের মাধ্যমে সব জুলুমের বদলা নেওয়া হবে। সেদিন প্রত্যেককে তার কাজের হিসাব দিতে হবে। তা গোপন হোক কিংবা প্রকাশ্য। নেক কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায় বা পাপ কাজের জন্য ভোগ করতে হবে শাস্তি। তবে ক্ষমা বা মুক্তি থাকবে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, যে কোনো ব্যক্তিই নেক বা ভালো কাজ করে সে নিজের উপকার বা কল্যাণের জন্য করে আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে তার ওপরই তা বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনোই জুলুম করেন না। (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত ৪৬)। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস সাজানো রয়েছে। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ১০৭)। এজন্য রসুল (সা.) মানবজাতিকে সব অপকর্ম ও অন্যায় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও প্রতিরোধের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে অক্ষম হয় তবে যেন মুখ দ্বারা তা নিষেধ করে। যদি সে এতেও ব্যর্থ হয় তবে যেন সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করে। (মুসলিম শরিফ)। হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক। (বুখারি, ৬৪৬৫)। রসুল (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ওই আমলের সওয়াব লেখা হয়, যা সে ঘরে থেকে সুস্থ শরীরে তা করত। (বুখারি শরিফ)। হাদিসে আরো এসেছে, বান্দা যখন কোনো নেক আমল করতে থাকে এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার আমলনামা লেখার ফেরেশতাকে বলা হয় এই বান্দা সুস্থ অবস্থায় যে আমল করত (এখন অসুস্থ হওয়ায়) তার আমলনামায় তা লিখতে থাক। যতক্ষণ না তাকে আমি মুক্ত করে দিই অথবা তাকে আমার কাছে ডেকে আনি। (মিশকাত শরিফ, ১৫৫৯)। আল্লাহ বলেন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে হে নবী তুমি তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে এক জান্নাত যার নিচ দিয়ে ঝরনা প্রবাহিত হতে থাকবে। যখন তাদের জান্নাত থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে, এ ধরনের ফল তো ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূলত এ ধরনের জিনিসই সেখানে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আরো সেখানে থাকবে পবিত্র সহধর্মী ও সহধর্মিণী এবং তারা সেখানে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৫)। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেশি বেশি নেক আমল করে জান্নাত লাভের তৌফিক দান করুন। আমীন। ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন এবং আখেরাতে অনন্তকালের জন্য জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন🏆🎯💎 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎
ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎🏆🎯💎 https://www.youtube.com/watch?v=1uCtZnw3kn8 https://www.youtube.com/watch?v=eMXbS3vyEN4 https://www.youtube.com/watch?v=49AoLvmAhb0 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)। আল্লাহ নেক আমলকারীদের সম্পর্কে বলেন, আর যারাই আল্লাহতায়ালার ওপর ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের কোনো আশঙ্কা নেই, কেননা আমি কখনো তাদের বিনিময় বিনষ্ট করি না, যারা নেক আমল করে। এদের জন্য রয়েছে এক স্থায়ী জান্নাত, তার পাদদেশ দিয়ে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, তাদের সেখানে সোনার কাঁকন দ্বারা অলংকৃত করা হবে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমের পোশাক। উপরন্তু তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কত সুন্দর তাদের এ বিনিময়, কত চমৎকার তাদের আশ্রয়ের স্থানটি। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ৩০-৩১)। সুবহানাল্লাহ। প্রত্যেক মুসলমান নিয়মিত আমলের মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। নিয়মিত আমল এবং আল্লাহকে ভয় মানুষকে পরকালে নাজাত পেতে সাহায্য করবে এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে যারা নিজেকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহ তাদের সুখ শান্তিময় বেহেশত দান করবেন। আল্লাহ বলেন, আজ প্রত্যেক মানুষকে সে পরিমাণ প্রতিফলই দেওয়া হবে যে পরিমাণ সে দুনিয়ায় অর্জন করে এসেছে, আজ কারো প্রতি কোনো রকম অবিচার করা হবে না, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসাব গ্রহণে তৎপর। (সুরা আল মুমিন, আয়াত ১৭)। কেয়ামতের ময়দানে কারো প্রতি আল্লাহ জুলুম করবেন না। সেদিন গুনাহ ও সওয়াবের মাধ্যমে সব জুলুমের বদলা নেওয়া হবে। সেদিন প্রত্যেককে তার কাজের হিসাব দিতে হবে। তা গোপন হোক কিংবা প্রকাশ্য। নেক কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায় বা পাপ কাজের জন্য ভোগ করতে হবে শাস্তি। তবে ক্ষমা বা মুক্তি থাকবে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, যে কোনো ব্যক্তিই নেক বা ভালো কাজ করে সে নিজের উপকার বা কল্যাণের জন্য করে আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে তার ওপরই তা বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনোই জুলুম করেন না। (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত ৪৬)। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস সাজানো রয়েছে। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ১০৭)। এজন্য রসুল (সা.) মানবজাতিকে সব অপকর্ম ও অন্যায় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও প্রতিরোধের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে অক্ষম হয় তবে যেন মুখ দ্বারা তা নিষেধ করে। যদি সে এতেও ব্যর্থ হয় তবে যেন সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করে। (মুসলিম শরিফ)। হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক। (বুখারি, ৬৪৬৫)। রসুল (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ওই আমলের সওয়াব লেখা হয়, যা সে ঘরে থেকে সুস্থ শরীরে তা করত। (বুখারি শরিফ)। হাদিসে আরো এসেছে, বান্দা যখন কোনো নেক আমল করতে থাকে এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার আমলনামা লেখার ফেরেশতাকে বলা হয় এই বান্দা সুস্থ অবস্থায় যে আমল করত (এখন অসুস্থ হওয়ায়) তার আমলনামায় তা লিখতে থাক। যতক্ষণ না তাকে আমি মুক্ত করে দিই অথবা তাকে আমার কাছে ডেকে আনি। (মিশকাত শরিফ, ১৫৫৯)। আল্লাহ বলেন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে হে নবী তুমি তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে এক জান্নাত যার নিচ দিয়ে ঝরনা প্রবাহিত হতে থাকবে। যখন তাদের জান্নাত থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে, এ ধরনের ফল তো ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূলত এ ধরনের জিনিসই সেখানে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আরো সেখানে থাকবে পবিত্র সহধর্মী ও সহধর্মিণী এবং তারা সেখানে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৫)। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেশি বেশি নেক আমল করে জান্নাত লাভের তৌফিক দান করুন। আমীন। ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন এবং আখেরাতে অনন্তকালের জন্য জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন🏆🎯💎 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎
Psalm 127:3 A Great Reward Behold, children are a heritage from the Lord, the fruit of the womb is a reward. Psalm 127:3 In this busy, chaotic, workaholic world, children are often seen as a nuisance or a road block. Having children is seen as getting in the way of plans. Many people are so focused upon their careers that they do not want to have or see any children at all. It is very common to see or hear of a child… View On WordPress
Proverbs 11:18 Meanness gets you nowhere, but goodness is rewarded. [Contemporary English Version] The evil man gets rich for the moment, but the good man’s reward lasts forever. [Living Bible] The wicked earn a living by deception, but the one who plants righteousness gathers a true harvest. [The Voice] The impious does work with inconstancy. But for the sower of justice, there is the reward of faithfulness. [Catholic Public Domain Version] ———- wicked: rasha 7563 (Hebrew) guilty, ungodly, evil, condemned, criminal; morally wrong, actively hostile to God’s standards, including religious hypocrisy, national corruption, and individual accountability for the rebellion and oppression seen in the neglect of the needy, deceitful speech, unjust gain, and prideful self-reliance. deception: sheqer 8267 (Hebrews) falsehood, lie, deceit; it is contrasted in Scripture with the immutable truthfulness of Yahweh, showing that falsehood is always a denial of His nature. It breaks trust and community at a personal level, wounding relationships, creating fear, and ruining reputations. Judges and leaders are to uphold truth and condemn lying testimony, with the Scriptural record highlighting the travesty when they do not. Nationally, falsely sworn oaths, violated treaties, and misused standards all betray God’s statutes and invite judgment since social falsehood cannot coexist with divine blessing. righteousness: tsedaqah 6666 (Hebrew) honesty, merits, moral virtue; contains the ideas of rightness, equity, faithful conformity to a norm, charitable deeds, legal vindication, and covenant loyalty, embracing both character and conduct, the inward standard and the outward act. true: emeth 571 (Hebrew) faithfulness, reliability, stability, firmness, certainty; While the English word truth suggests bare factual accuracy, the Hebrew word embraces integrity and is used for the very character of God, the ethical standard for His people, and relational reliability – love that can be trusted. Leaders are expected to rule in truth, righteousness, and uprightness because violation of truth dissolves covenant security; success without truth is hollow.
Separate tone from content during conflict. Some people use anger or emotion to distract from weak arguments. Focus only on what is being said, not how loudly it is said. This keeps you in control. Never reward disrespect with attention. Attention is fuel. If someone crosses a line and gets a reaction, they repeat it. If they get nothing, the behavior usually stops.
ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎 https://www.youtube.com/watch?v=1uCtZnw3kn8 https://www.youtube.com/watch?v=eMXbS3vyEN4 https://www.youtube.com/watch?v=49AoLvmAhb0 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)। আল্লাহ নেক আমলকারীদের সম্পর্কে বলেন, আর যারাই আল্লাহতায়ালার ওপর ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের কোনো আশঙ্কা নেই, কেননা আমি কখনো তাদের বিনিময় বিনষ্ট করি না, যারা নেক আমল করে। এদের জন্য রয়েছে এক স্থায়ী জান্নাত, তার পাদদেশ দিয়ে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, তাদের সেখানে সোনার কাঁকন দ্বারা অলংকৃত করা হবে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমের পোশাক। উপরন্তু তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কত সুন্দর তাদের এ বিনিময়, কত চমৎকার তাদের আশ্রয়ের স্থানটি। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ৩০-৩১)। সুবহানাল্লাহ। প্রত্যেক মুসলমান নিয়মিত আমলের মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। নিয়মিত আমল এবং আল্লাহকে ভয় মানুষকে পরকালে নাজাত পেতে সাহায্য করবে এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে যারা নিজেকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহ তাদের সুখ শান্তিময় বেহেশত দান করবেন। আল্লাহ বলেন, আজ প্রত্যেক মানুষকে সে পরিমাণ প্রতিফলই দেওয়া হবে যে পরিমাণ সে দুনিয়ায় অর্জন করে এসেছে, আজ কারো প্রতি কোনো রকম অবিচার করা হবে না, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসাব গ্রহণে তৎপর। (সুরা আল মুমিন, আয়াত ১৭)। কেয়ামতের ময়দানে কারো প্রতি আল্লাহ জুলুম করবেন না। সেদিন গুনাহ ও সওয়াবের মাধ্যমে সব জুলুমের বদলা নেওয়া হবে। সেদিন প্রত্যেককে তার কাজের হিসাব দিতে হবে। তা গোপন হোক কিংবা প্রকাশ্য। নেক কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায় বা পাপ কাজের জন্য ভোগ করতে হবে শাস্তি। তবে ক্ষমা বা মুক্তি থাকবে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, যে কোনো ব্যক্তিই নেক বা ভালো কাজ করে সে নিজের উপকার বা কল্যাণের জন্য করে আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে তার ওপরই তা বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনোই জুলুম করেন না। (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত ৪৬)। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস সাজানো রয়েছে। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ১০৭)। এজন্য রসুল (সা.) মানবজাতিকে সব অপকর্ম ও অন্যায় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও প্রতিরোধের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে অক্ষম হয় তবে যেন মুখ দ্বারা তা নিষেধ করে। যদি সে এতেও ব্যর্থ হয় তবে যেন সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করে। (মুসলিম শরিফ)। হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক। (বুখারি, ৬৪৬৫)। রসুল (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ওই আমলের সওয়াব লেখা হয়, যা সে ঘরে থেকে সুস্থ শরীরে তা করত। (বুখারি শরিফ)। হাদিসে আরো এসেছে, বান্দা যখন কোনো নেক আমল করতে থাকে এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার আমলনামা লেখার ফেরেশতাকে বলা হয় এই বান্দা সুস্থ অবস্থায় যে আমল করত (এখন অসুস্থ হওয়ায়) তার আমলনামায় তা লিখতে থাক। যতক্ষণ না তাকে আমি মুক্ত করে দিই অথবা তাকে আমার কাছে ডেকে আনি। (মিশকাত শরিফ, ১৫৫৯)। আল্লাহ বলেন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে হে নবী তুমি তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে এক জান্নাত যার নিচ দিয়ে ঝরনা প্রবাহিত হতে থাকবে। যখন তাদের জান্নাত থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে, এ ধরনের ফল তো ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূলত এ ধরনের জিনিসই সেখানে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আরো সেখানে থাকবে পবিত্র সহধর্মী ও সহধর্মিণী এবং তারা সেখানে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৫)। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেশি বেশি নেক আমল করে জান্নাত লাভের তৌফিক দান করুন। আমীন। ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন এবং আখেরাতে অনন্তকালের জন্য জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন🏆🎯💎 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎
ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎🏆🎯💎 https://www.youtube.com/watch?v=1uCtZnw3kn8 https://www.youtube.com/watch?v=eMXbS3vyEN4 https://www.youtube.com/watch?v=49AoLvmAhb0 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)। আল্লাহ নেক আমলকারীদের সম্পর্কে বলেন, আর যারাই আল্লাহতায়ালার ওপর ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের কোনো আশঙ্কা নেই, কেননা আমি কখনো তাদের বিনিময় বিনষ্ট করি না, যারা নেক আমল করে। এদের জন্য রয়েছে এক স্থায়ী জান্নাত, তার পাদদেশ দিয়ে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, তাদের সেখানে সোনার কাঁকন দ্বারা অলংকৃত করা হবে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমের পোশাক। উপরন্তু তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কত সুন্দর তাদের এ বিনিময়, কত চমৎকার তাদের আশ্রয়ের স্থানটি। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ৩০-৩১)। সুবহানাল্লাহ। প্রত্যেক মুসলমান নিয়মিত আমলের মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। নিয়মিত আমল এবং আল্লাহকে ভয় মানুষকে পরকালে নাজাত পেতে সাহায্য করবে এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে যারা নিজেকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহ তাদের সুখ শান্তিময় বেহেশত দান করবেন। আল্লাহ বলেন, আজ প্রত্যেক মানুষকে সে পরিমাণ প্রতিফলই দেওয়া হবে যে পরিমাণ সে দুনিয়ায় অর্জন করে এসেছে, আজ কারো প্রতি কোনো রকম অবিচার করা হবে না, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসাব গ্রহণে তৎপর। (সুরা আল মুমিন, আয়াত ১৭)। কেয়ামতের ময়দানে কারো প্রতি আল্লাহ জুলুম করবেন না। সেদিন গুনাহ ও সওয়াবের মাধ্যমে সব জুলুমের বদলা নেওয়া হবে। সেদিন প্রত্যেককে তার কাজের হিসাব দিতে হবে। তা গোপন হোক কিংবা প্রকাশ্য। নেক কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায় বা পাপ কাজের জন্য ভোগ করতে হবে শাস্তি। তবে ক্ষমা বা মুক্তি থাকবে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, যে কোনো ব্যক্তিই নেক বা ভালো কাজ করে সে নিজের উপকার বা কল্যাণের জন্য করে আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে তার ওপরই তা বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনোই জুলুম করেন না। (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত ৪৬)। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস সাজানো রয়েছে। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ১০৭)। এজন্য রসুল (সা.) মানবজাতিকে সব অপকর্ম ও অন্যায় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও প্রতিরোধের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে অক্ষম হয় তবে যেন মুখ দ্বারা তা নিষেধ করে। যদি সে এতেও ব্যর্থ হয় তবে যেন সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করে। (মুসলিম শরিফ)। হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক। (বুখারি, ৬৪৬৫)। রসুল (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ওই আমলের সওয়াব লেখা হয়, যা সে ঘরে থেকে সুস্থ শরীরে তা করত। (বুখারি শরিফ)। হাদিসে আরো এসেছে, বান্দা যখন কোনো নেক আমল করতে থাকে এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার আমলনামা লেখার ফেরেশতাকে বলা হয় এই বান্দা সুস্থ অবস্থায় যে আমল করত (এখন অসুস্থ হওয়ায়) তার আমলনামায় তা লিখতে থাক। যতক্ষণ না তাকে আমি মুক্ত করে দিই অথবা তাকে আমার কাছে ডেকে আনি। (মিশকাত শরিফ, ১৫৫৯)। আল্লাহ বলেন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে হে নবী তুমি তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে এক জান্নাত যার নিচ দিয়ে ঝরনা প্রবাহিত হতে থাকবে। যখন তাদের জান্নাত থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে, এ ধরনের ফল তো ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূলত এ ধরনের জিনিসই সেখানে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আরো সেখানে থাকবে পবিত্র সহধর্মী ও সহধর্মিণী এবং তারা সেখানে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৫)। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেশি বেশি নেক আমল করে জান্নাত লাভের তৌফিক দান করুন। আমীন। ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন এবং আখেরাতে অনন্তকালের জন্য জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন🏆🎯💎 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎
ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎 https://www.youtube.com/watch?v=1uCtZnw3kn8 https://www.youtube.com/watch?v=eMXbS3vyEN4 https://www.youtube.com/watch?v=49AoLvmAhb0 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)। আল্লাহ নেক আমলকারীদের সম্পর্কে বলেন, আর যারাই আল্লাহতায়ালার ওপর ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের কোনো আশঙ্কা নেই, কেননা আমি কখনো তাদের বিনিময় বিনষ্ট করি না, যারা নেক আমল করে। এদের জন্য রয়েছে এক স্থায়ী জান্নাত, তার পাদদেশ দিয়ে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, তাদের সেখানে সোনার কাঁকন দ্বারা অলংকৃত করা হবে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমের পোশাক। উপরন্তু তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কত সুন্দর তাদের এ বিনিময়, কত চমৎকার তাদের আশ্রয়ের স্থানটি। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ৩০-৩১)। সুবহানাল্লাহ। প্রত্যেক মুসলমান নিয়মিত আমলের মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। নিয়মিত আমল এবং আল্লাহকে ভয় মানুষকে পরকালে নাজাত পেতে সাহায্য করবে এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে যারা নিজেকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহ তাদের সুখ শান্তিময় বেহেশত দান করবেন। আল্লাহ বলেন, আজ প্রত্যেক মানুষকে সে পরিমাণ প্রতিফলই দেওয়া হবে যে পরিমাণ সে দুনিয়ায় অর্জন করে এসেছে, আজ কারো প্রতি কোনো রকম অবিচার করা হবে না, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসাব গ্রহণে তৎপর। (সুরা আল মুমিন, আয়াত ১৭)। কেয়ামতের ময়দানে কারো প্রতি আল্লাহ জুলুম করবেন না। সেদিন গুনাহ ও সওয়াবের মাধ্যমে সব জুলুমের বদলা নেওয়া হবে। সেদিন প্রত্যেককে তার কাজের হিসাব দিতে হবে। তা গোপন হোক কিংবা প্রকাশ্য। নেক কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায় বা পাপ কাজের জন্য ভোগ করতে হবে শাস্তি। তবে ক্ষমা বা মুক্তি থাকবে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, যে কোনো ব্যক্তিই নেক বা ভালো কাজ করে সে নিজের উপকার বা কল্যাণের জন্য করে আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে তার ওপরই তা বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনোই জুলুম করেন না। (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত ৪৬)। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস সাজানো রয়েছে। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ১০৭)। এজন্য রসুল (সা.) মানবজাতিকে সব অপকর্ম ও অন্যায় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও প্রতিরোধের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে অক্ষম হয় তবে যেন মুখ দ্বারা তা নিষেধ করে। যদি সে এতেও ব্যর্থ হয় তবে যেন সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করে। (মুসলিম শরিফ)। হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক। (বুখারি, ৬৪৬৫)। রসুল (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ওই আমলের সওয়াব লেখা হয়, যা সে ঘরে থেকে সুস্থ শরীরে তা করত। (বুখারি শরিফ)। হাদিসে আরো এসেছে, বান্দা যখন কোনো নেক আমল করতে থাকে এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার আমলনামা লেখার ফেরেশতাকে বলা হয় এই বান্দা সুস্থ অবস্থায় যে আমল করত (এখন অসুস্থ হওয়ায়) তার আমলনামায় তা লিখতে থাক। যতক্ষণ না তাকে আমি মুক্ত করে দিই অথবা তাকে আমার কাছে ডেকে আনি। (মিশকাত শরিফ, ১৫৫৯)। আল্লাহ বলেন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে হে নবী তুমি তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে এক জান্নাত যার নিচ দিয়ে ঝরনা প্রবাহিত হতে থাকবে। যখন তাদের জান্নাত থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে, এ ধরনের ফল তো ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূলত এ ধরনের জিনিসই সেখানে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আরো সেখানে থাকবে পবিত্র সহধর্মী ও সহধর্মিণী এবং তারা সেখানে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৫)। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেশি বেশি নেক আমল করে জান্নাত লাভের তৌফিক দান করুন। আমীন। ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন এবং আখেরাতে অনন্তকালের জন্য জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন🏆🎯💎 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎
ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎🏆🎯💎 https://www.youtube.com/watch?v=1uCtZnw3kn8 https://www.youtube.com/watch?v=eMXbS3vyEN4 https://www.youtube.com/watch?v=49AoLvmAhb0 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)। আল্লাহ নেক আমলকারীদের সম্পর্কে বলেন, আর যারাই আল্লাহতায়ালার ওপর ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের কোনো আশঙ্কা নেই, কেননা আমি কখনো তাদের বিনিময় বিনষ্ট করি না, যারা নেক আমল করে। এদের জন্য রয়েছে এক স্থায়ী জান্নাত, তার পাদদেশ দিয়ে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, তাদের সেখানে সোনার কাঁকন দ্বারা অলংকৃত করা হবে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমের পোশাক। উপরন্তু তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কত সুন্দর তাদের এ বিনিময়, কত চমৎকার তাদের আশ্রয়ের স্থানটি। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ৩০-৩১)। সুবহানাল্লাহ। প্রত্যেক মুসলমান নিয়মিত আমলের মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। নিয়মিত আমল এবং আল্লাহকে ভয় মানুষকে পরকালে নাজাত পেতে সাহায্য করবে এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে যারা নিজেকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহ তাদের সুখ শান্তিময় বেহেশত দান করবেন। আল্লাহ বলেন, আজ প্রত্যেক মানুষকে সে পরিমাণ প্রতিফলই দেওয়া হবে যে পরিমাণ সে দুনিয়ায় অর্জন করে এসেছে, আজ কারো প্রতি কোনো রকম অবিচার করা হবে না, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসাব গ্রহণে তৎপর। (সুরা আল মুমিন, আয়াত ১৭)। কেয়ামতের ময়দানে কারো প্রতি আল্লাহ জুলুম করবেন না। সেদিন গুনাহ ও সওয়াবের মাধ্যমে সব জুলুমের বদলা নেওয়া হবে। সেদিন প্রত্যেককে তার কাজের হিসাব দিতে হবে। তা গোপন হোক কিংবা প্রকাশ্য। নেক কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায় বা পাপ কাজের জন্য ভোগ করতে হবে শাস্তি। তবে ক্ষমা বা মুক্তি থাকবে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, যে কোনো ব্যক্তিই নেক বা ভালো কাজ করে সে নিজের উপকার বা কল্যাণের জন্য করে আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে তার ওপরই তা বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনোই জুলুম করেন না। (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত ৪৬)। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস সাজানো রয়েছে। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ১০৭)। এজন্য রসুল (সা.) মানবজাতিকে সব অপকর্ম ও অন্যায় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও প্রতিরোধের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে অক্ষম হয় তবে যেন মুখ দ্বারা তা নিষেধ করে। যদি সে এতেও ব্যর্থ হয় তবে যেন সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করে। (মুসলিম শরিফ)। হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক। (বুখারি, ৬৪৬৫)। রসুল (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ওই আমলের সওয়াব লেখা হয়, যা সে ঘরে থেকে সুস্থ শরীরে তা করত। (বুখারি শরিফ)। হাদিসে আরো এসেছে, বান্দা যখন কোনো নেক আমল করতে থাকে এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার আমলনামা লেখার ফেরেশতাকে বলা হয় এই বান্দা সুস্থ অবস্থায় যে আমল করত (এখন অসুস্থ হওয়ায়) তার আমলনামায় তা লিখতে থাক। যতক্ষণ না তাকে আমি মুক্ত করে দিই অথবা তাকে আমার কাছে ডেকে আনি। (মিশকাত শরিফ, ১৫৫৯)। আল্লাহ বলেন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে হে নবী তুমি তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে এক জান্নাত যার নিচ দিয়ে ঝরনা প্রবাহিত হতে থাকবে। যখন তাদের জান্নাত থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে, এ ধরনের ফল তো ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূলত এ ধরনের জিনিসই সেখানে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আরো সেখানে থাকবে পবিত্র সহধর্মী ও সহধর্মিণী এবং তারা সেখানে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৫)। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেশি বেশি নেক আমল করে জান্নাত লাভের তৌফিক দান করুন। আমীন। ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন এবং আখেরাতে অনন্তকালের জন্য জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন🏆🎯💎 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎
ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎 https://www.youtube.com/watch?v=1uCtZnw3kn8 https://www.youtube.com/watch?v=eMXbS3vyEN4 https://www.youtube.com/watch?v=49AoLvmAhb0 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)। আল্লাহ নেক আমলকারীদের সম্পর্কে বলেন, আর যারাই আল্লাহতায়ালার ওপর ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের কোনো আশঙ্কা নেই, কেননা আমি কখনো তাদের বিনিময় বিনষ্ট করি না, যারা নেক আমল করে। এদের জন্য রয়েছে এক স্থায়ী জান্নাত, তার পাদদেশ দিয়ে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, তাদের সেখানে সোনার কাঁকন দ্বারা অলংকৃত করা হবে, তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু রেশমের পোশাক। উপরন্তু তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে। কত সুন্দর তাদের এ বিনিময়, কত চমৎকার তাদের আশ্রয়ের স্থানটি। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ৩০-৩১)। সুবহানাল্লাহ। প্রত্যেক মুসলমান নিয়মিত আমলের মাধ্যমে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। নিয়মিত আমল এবং আল্লাহকে ভয় মানুষকে পরকালে নাজাত পেতে সাহায্য করবে এবং আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে যারা নিজেকে সমর্পণ করবে এবং ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী ইহকালীন জীবন অতিবাহিত করবে, আল্লাহ তাদের সুখ শান্তিময় বেহেশত দান করবেন। আল্লাহ বলেন, আজ প্রত্যেক মানুষকে সে পরিমাণ প্রতিফলই দেওয়া হবে যে পরিমাণ সে দুনিয়ায় অর্জন করে এসেছে, আজ কারো প্রতি কোনো রকম অবিচার করা হবে না, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসাব গ্রহণে তৎপর। (সুরা আল মুমিন, আয়াত ১৭)। কেয়ামতের ময়দানে কারো প্রতি আল্লাহ জুলুম করবেন না। সেদিন গুনাহ ও সওয়াবের মাধ্যমে সব জুলুমের বদলা নেওয়া হবে। সেদিন প্রত্যেককে তার কাজের হিসাব দিতে হবে। তা গোপন হোক কিংবা প্রকাশ্য। নেক কাজের জন্য পুরস্কার ও অন্যায় বা পাপ কাজের জন্য ভোগ করতে হবে শাস্তি। তবে ক্ষমা বা মুক্তি থাকবে আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, যে কোনো ব্যক্তিই নেক বা ভালো কাজ করে সে নিজের উপকার বা কল্যাণের জন্য করে আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে তার ওপরই তা বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের প্রতি কখনোই জুলুম করেন না। (সুরা হা-মিম সাজদা, আয়াত ৪৬)। আল্লাহ আরো বলেন, নিশ্চয়ই যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস সাজানো রয়েছে। (সুরা আল কাহাফ, আয়াত ১০৭)। এজন্য রসুল (সা.) মানবজাতিকে সব অপকর্ম ও অন্যায় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও প্রতিরোধের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কাউকে অন্যায় কাজ করতে দেখে, তাহলে সে যেন তার শক্তি দ্বারা তা প্রতিহত করে। যদি সে এতে অক্ষম হয় তবে যেন মুখ দ্বারা তা নিষেধ করে। যদি সে এতেও ব্যর্থ হয় তবে যেন সে অন্তর দ্বারা ঘৃণা পোষণ করে। (মুসলিম শরিফ)। হজরত আয়েশা (রা.) রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন আল্লাহর কাছে কোন আমল সর্বাধিক প্রিয়? তিনি উত্তর দিলেন, যে আমল সর্বদা করা হয়, চাই তা কম হোক। (বুখারি, ৬৪৬৫)। রসুল (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ওই আমলের সওয়াব লেখা হয়, যা সে ঘরে থেকে সুস্থ শরীরে তা করত। (বুখারি শরিফ)। হাদিসে আরো এসেছে, বান্দা যখন কোনো নেক আমল করতে থাকে এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার আমলনামা লেখার ফেরেশতাকে বলা হয় এই বান্দা সুস্থ অবস্থায় যে আমল করত (এখন অসুস্থ হওয়ায়) তার আমলনামায় তা লিখতে থাক। যতক্ষণ না তাকে আমি মুক্ত করে দিই অথবা তাকে আমার কাছে ডেকে আনি। (মিশকাত শরিফ, ১৫৫৯)। আল্লাহ বলেন, যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে হে নবী তুমি তাদের সুসংবাদ দাও, তাদের জন্য রয়েছে এক জান্নাত যার নিচ দিয়ে ঝরনা প্রবাহিত হতে থাকবে। যখন তাদের জান্নাত থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে, এ ধরনের ফল তো ইতিপূর্বেও দেওয়া হয়েছিল। তাদের মূলত এ ধরনের জিনিসই সেখানে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আরো সেখানে থাকবে পবিত্র সহধর্মী ও সহধর্মিণী এবং তারা সেখানে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (সুরা বাকারা, আয়াত ২৫)। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেশি বেশি নেক আমল করে জান্নাত লাভের তৌফিক দান করুন। আমীন। ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন এবং আখেরাতে অনন্তকালের জন্য জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন🏆🎯💎 নেক আমলের পুরস্কার 🏆🎯💎 ঈমানের সাথে সৎকর্ম বা নেক আমল করলে আল্লাহ দুনিয়াতে পবিত্র ও শান্তিময় জীবন আর আখেরাতে জান্নাত দেবেন💎
♻️👀👌🏾WHAT GOES AROUND // COMES AROUND (big G, restoration + breakthroughs) Please note I am not promoting getting tattoos. See the details. Also God allowed me to come across an interesting post Recall the LORD showed us the G is BIG bolded “BI G BLESSING” View on Instagram UPDATE : God allowed me to see this haha — Jesus is the key that unlocks everything. Also God came to me this morning and said “Tell her — big blessing” 🤩 Idk who you are but I’m passing on the message. God has something wonderful stored up for you after being dragged by the devil and your hair taking unauthorized trips to hell and back 🎟️😭
#reward is a Tumblr tag people add to their posts so others can find related content. This page collects public posts tagged #reward from blogs across Tumblr so you can browse them in one place.
Yes. Zoomblr shows posts tagged #reward with no login or account required — just scroll the feed above. It's completely free.
Open the blog of any post you like via its link, then use Zoomblr's post viewer to download the image in full resolution.
Zoomblr is a free Tumblr viewer — view and download any public blog's avatar and posts without an account.