Tumblr posts tagged #prophetmuhammad from across Tumblr — no login required.
Shaykh Ahmad Dabbagh ka Islahati Bayan: Ummati ki Mukhalfat aur Uska Asar Just watched Shaykh Ahmad Dabbagh ka Islahati Bayan: Ummati ki Mukhalfat aur Uska Asar . It focuses on how division and constant disagreement within the community slowly damages strength and purpose. Shaykh Ahmad Dabbagh’s message is clear, real progress comes from unity, self-correction, and avoiding unnecessary conflict.
My prophet Muhammad (ﷺ) is the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model https://www.youtube.com/watch?v=DdWxCVYAOCk https://www.youtube.com/watch?v=lU1hf_cUeIE https://www.youtube.com/watch?v=gcUIiL3Qxhw My Prophet Muhammad Pbuh Prophet Muhammad (ﷺ) is revered as the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model (Uswatun Hasanah) who exemplified compassion, truthfulness, and justice, guiding humanity toward faith, ethical living, and peace. He is regarded as the beloved of Allah.Final Messenger: As the “Seal of the Prophets,” he brought the final divine guidance (the Quran) to humanity.Mercy to Mankind: He was sent as a blessing to the world, embodying love and compassion even for his enemies.Perfect Character: Known as Al-Amin (the Trustworthy) and As-Sadiq (the Truthful) even before his prophethood, he taught high ethical standards, kindness, and humility.Ideal Role Model: He demonstrated how to be a balanced leader, family man, and compassionate neighbor, focusing on helping the poor, honoring women, and caring for children.Messenger of Love: He taught love for humanity and that the best people are those who treat their families the best.Muslims study his life (Sunnah) to learn how to live a life pleasing to God and to find inner peace. My Prophet Muhammad PBUH My prophet Muhammad PBUH ﷺ is the Final Messenger of Allah, sent as a mercy to all creation🕌💚محمدﷺ💚
My prophet Muhammad (ﷺ) is the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model https://www.youtube.com/watch?v=DdWxCVYAOCk https://www.youtube.com/watch?v=lU1hf_cUeIE https://www.youtube.com/watch?v=gcUIiL3Qxhw My Prophet Muhammad Pbuh Prophet Muhammad (ﷺ) is revered as the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model (Uswatun Hasanah) who exemplified compassion, truthfulness, and justice, guiding humanity toward faith, ethical living, and peace. He is regarded as the beloved of Allah.Final Messenger: As the “Seal of the Prophets,” he brought the final divine guidance (the Quran) to humanity.Mercy to Mankind: He was sent as a blessing to the world, embodying love and compassion even for his enemies.Perfect Character: Known as Al-Amin (the Trustworthy) and As-Sadiq (the Truthful) even before his prophethood, he taught high ethical standards, kindness, and humility.Ideal Role Model: He demonstrated how to be a balanced leader, family man, and compassionate neighbor, focusing on helping the poor, honoring women, and caring for children.Messenger of Love: He taught love for humanity and that the best people are those who treat their families the best.Muslims study his life (Sunnah) to learn how to live a life pleasing to God and to find inner peace. My Prophet Muhammad PBUH My prophet Muhammad PBUH ﷺ is the Final Messenger of Allah, sent as a mercy to all creation🕌💚محمدﷺ💚
আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম https://www.youtube.com/watch?v=f74nV31QXK4 https://www.youtube.com/watch?v=5zWTInJqD5k&t=12s https://www.youtube.com/watch?v=PtjGaQ0_kpU https://www.youtube.com/watch?v=G8ljaRJ3Dd4 হাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নবী (সাঃ) ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী, যিনি প্রেম, করুণা, সততা এবং আল্লাহর প্রতি অটল নিষ্ঠার সাথে জীবনযাপন করেছেন। তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন পছন্দ করতেন এবং সর্বদা ভারসাম্য বজায় রাখতেন। ৫৮০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মক্কায় জন্ম নিয়ে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত লাভ করেন এবং ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন।নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা: তিনি ‘আল-আমিন’ (বিশ্বস্ত) উপাধিতে পরিচিত ছিলেন এবং শত্রুরাও তাদের মূল্যবান সম্পদ তার কাছে গচ্ছিত রাখত।সাদামাটা জীবন: মক্কার মত প্রভাবশালী নেতা হওয়ার পরেও তিনি মাটির বিছানায় ঘুমানোসহ অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন।দয়া ও করুণা: তিনি মানুষের প্রতি, এমনকি পশুপাখির প্রতিও অত্যন্ত সদয় ছিলেন।ক্ষমাশীলতা: মক্কা বিজয়ের পর তিনি তার সবচেয়ে বড় শত্রুদেরও সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।সাহসিকতা: তিনি কখনোই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছপা হননি এবং সাহাবীদের সাথে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।দানশীলতা: তিনি নিজের কাছে কিছু না রেখে সব কিছু দান করে দিতে পছন্দ করতেন।মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবন এবং আদর্শ আমাদের জন্য পাথেয়, যা বর্তমান সময়ের সব সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
মহানবী (সা.)-এর প্রতিষ্ঠিত কল্যাণ রাষ্ট্র ( Welfare State) মানব ইতিহাসের অন্যতম সফল ও আদর্শ রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে পরিগণিত । নবী সঃ এর রাজনৈতিক সাফল্য মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্য ছিল নজিরবিহীন, যেখানে তিনি মদিনায় হিজরতের পর ৬২২ খ্রিস্টাব্দে একটি শক্তিশালী, ন্যায়পরায়ণ ও কল্যাণকামী নগর-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন । তিনি মদিনা সনদের মাধ্যমে বিভেদকবলিত আরব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে ধর্মীয় স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং সামাজিক সমতা নিশ্চিত করেন। তাঁর সুদূরপ্রসারী কূটনীতি, মক্কা বিজয় এবং শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি আরবে স্থিতিশীলতা এনেছিল । নবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্যের প্রধান দিকসমূহ: মদিনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা (৬২২ খ্রি.): হিজরতের পর তিনি মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি আদর্শ রাষ্ট্র স্থাপন করেন, যা ছিল সমসাময়িক বিশ্বের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা । মদিনা সনদ প্রণয়ন: এটি ছিল পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান। এর মাধ্যমে মুসলিম, ইহুদি ও অন্যান্য সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি: তিনি আরবের বিচ্ছিন্ন গোত্রগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী উম্মাহ গঠন করেন। এছাড়াও, রোম ও পারস্যের মতো মহাশক্তিদের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিয়ে তিনি কূটনৈতিক দক্ষতার পরিচয় দেন । মক্কা বিজয় ও ক্ষমা: অষ্টম হিজরিতে রক্তপাতহীন মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে তিনি তাঁর অসামান্য রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও উদারতার পরিচয় দেন, যা সমগ্র আরব উপদ্বীপে ইসলামের ভিত্তি মজবুত করে । ইনসাফ ও ন্যায়বিচার: শাসক হিসেবে তিনি মিত্র-শত্রু নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছিলেন, যা শাসনব্যবস্থায় নৈতিকতার মানদণ্ড স্থাপন করে]। নবীজির রাজনৈতিক দর্শন ও সাফল্য মহানবী (সা.)-এর জীবনের নানা দিকের আলোচনা মুসলমানকে উদ্দীপ্ত করে। কিন্তু সিরাত নিয়ে আলোচনার একটি কঠিন দিক হলো পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করতে পারা এবং সম্বোধিত ব্যক্তির সামনে তাঁকে পূর্ণাঙ্গরূপে পেশ করা। মহানবী (সা.)-এর জীবনকে সবচেয়ে সংক্ষিপ্তভাবে অথচ তাৎপর্যপূর্ণ বাক্যে উপস্থাপন করেছেন সাইয়েদা আয়েশা (রা.)। তিনি বলেন, তাঁর চরিত্র হলো কোরআন। অর্থাৎ নবীজি (সা.)-এর জীবনের সারকথা হলো কোরআন। এই হাদিসের ব্যাখ্যায় সাইয়েদ আতাউল্লাহ শাহ বুখারি (রহ.) বলেন, যখন মহানবী (সা.)-এর সিরাত (জীবনচরিত) কোরআন, যা আল্লাহ তাআলা ২৩ বছরে ক্রমান্বয়ে বর্ণনা করেছেন, তখন এটা কিভাবে সম্ভব এক লেখায় বা আলোচনায় মহানবী (সা.)-এর জীবনচরিত তুলে ধরা হবে! কিন্তু নবীজি (সা.)-এর একটি অলৌকিকত্ব হলো যখন তাঁর জীবনীর কোনো একটি বা দুটি দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়, তখন এমন নুর সৃষ্টি হয় যে সব অন্ধকার দূর হয়ে যায়। সেই বিশ্বাস থেকেই মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আদর্শ তুলে ধরা হলো। রাসুলে আকরাম (সা.)-এর রাজনৈতিক কর্মপন্থা এতটাই ফলপ্রসূ, সুদূরপ্রসারী ও কার্যকর ছিল, যা অমুসলিমদেরও বিস্মিত করে। তিনি যখন দ্বিনের আহবান শুরু করে এবং সাফা পর্বতের ওপর আরোহণ করে দ্বিনের আহবান জানান, তখন তিনি একা ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ১৩ বছর মক্কায় শত্রু ও বিদ্বেষী মানুষের ভেতর বসবাস করেন। এই সময়ে তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হননি, তিনি শুধু একজন দ্বিন প্রচারক হিসেবে মানুষকে আল্লাহর বাণী শুনিয়েছেন। এরপর তিনি মদিনায় ১০ বছর একজন শাসকের ভূমিকা পালন করেন। মাত্র একজন ব্যক্তি হিসেবে তিনি দ্বিনের দাওয়াত দেওয়া শুরু করেছিলেন আর ২৩ বছর পর যখন তাঁর ইন্তেকাল হয়, তখন সমগ্র আরব ভূখণ্ড তাঁর শাসনাধীন হয়। তাঁর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে রোমান সাম্রাজ্য ও পারস্য সাম্রাজ্যের মতো শক্তিশালী রাজত্বকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছেন। মহানবী (সা.)-এর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র মাত্র ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে তিনটি মহাদেশে সীমানা বিস্তার করে। আধুনিক যুগের একটি বড় ঘটনা ১১ সেপ্টেম্বরে টুইন টাওয়ারে হামলা। এই ঘটনার পর মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে একটি অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। যেখানে এটা স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয় যে মুহাম্মদ (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্য মুজিজা বা অলৌকিক বলেই মনে হয়। এটা অবশ্যই ভেবে দেখার মতো বিষয় যে আমেরিকার মতো একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্যকে স্বীকার করেছে এবং তাঁকে অলৌকিক বলেছে। মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্যের একটি বড় দিক হলো দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব। পৃথিবীতে অনেক ব্যক্তিই রাজনৈতিক সাফল্য লাভ করেছে। দিগ্বিজয়ী অনেক সম্রাট ও সাম্রাজ্যের ইতিহাস আমরা জানি। অনেক রাজনৈতিক দর্শন পৃথিবীকে প্রভাবিত করেছে। কিন্তু তাদের বেশির ভাগই আবেদন ধরে রাখতে পারেনি। কালক্রমে তা হারিয়ে গেছে। পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের নাম জানে। তিনি তাঁর রাজত্ব ভারতবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন। কিন্তু তা খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। তা সংকুচিত হতে হতে বর্তমান গ্রিসে গিয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। মানব ইতিহাসের একটি প্রভাবশালী সাম্রাজ্য ছিল রোমান সাম্রাজ্য। রোমান আইনকে আধুনিক আইনের ভিত্তিমূল মনে করা হয়। পশ্চিমা সভ্যতার অনেক জ্ঞান ও শাস্ত্রে রোমান সাম্রাজ্যের অবদান রয়েছে। বর্তমানে রোমান সাম্রাজ্য ইতিহাসের অংশ। রোমান সাম্রাজ্যের প্রতিনিধি হিসেবে শুধু ইতালি নামক রাষ্ট্রটি টিকে আছে। বিপরীতে মহানবী (সা.) যে বিস্তৃত অঞ্চল বিজয় করেছিলেন তার পুরোটা এখনো মুসলমানদের অধীনে রয়েছে। এমনকি সাহাবায়ে কেরাম (রা.) যে অঞ্চলগুলো জয় করেছিলেন তার প্রায় পুরোটা এখন মুসলমানদের অধীনে রয়েছে। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে মুসলমানরা যত অঞ্চল জয় করেছিল তার ভেতর স্পেন-পর্তুগালের মতো দু-একটি অঞ্চল ছাড়া বেশির ভাগ অঞ্চলে মুসলমানদের উপস্থিতি রয়েছে। এটা মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক আদর্শের সাফল্য। রাসুলুল্লাহ (সা.) সিরাতচর্চায় আলেম ও ইসলাম গবেষকরা দীর্ঘ সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে আলোচনা ও চর্চা তুলনামূলক কম হয়েছে। আর সেটার চর্চা না করার ফল হয়তো এটা হয়েছে যে ১৯২৩ সালে উসমানীয় খেলাফতের পতনের মাধ্যমে মুসলমানরা বৈশ্বিক নেতৃত্ব হারিয়েছে। তবে আল্লাহর অনুগ্রহ হলো, আল্লাহ মুসলমানদের অর্ধশতাধিক রাষ্ট্র দান করেছেন। এই রাষ্ট্রগুলো যদিও বিশ্বব্যবস্থায় বড় কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না, কিন্তু এটাও সত্য যে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে এড়িয়ে কোনো বৈশ্বিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাও সম্ভব নয়। মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক আদর্শ চর্চার ক্ষেত্রে বর্তমান যুগে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। একদিকে মুসলিম সমাজের একদল মানুষ নবীজি (সা.)-কে এমনভাবে উপস্থাপন করে থাকে, যেন তাঁকে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা তাঁর পবিত্রতার পরিপন্থী। অন্যদিকে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় রাজনীতির চূড়ান্ত ও একমাত্র লক্ষ্য হলো নেতৃত্ব ও ক্ষমতার চর্চা। ফলে মানুষ ভাবে একজন নবী কিভাবে ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের প্রতি আগ্রহী হতে পারে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, রাজনীতির বুনিয়াদ হলো মানব সমাজের শান্তি ও শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং দুর্বল মানুষের মুক্তি ও কল্যাণ। আর এই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য মহানবী (সা.) সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন। কোরআন ও হাদিসের বর্ণনা অনুসারে এই চেষ্টা পূর্ববর্তী নবী-রাসুলরাও করেছেন। এটাও স্মরণে রাখতে হবে যে নবী-রাসুলদের মূল পরিচয় রাজনৈতিক নেতা নয়। তাঁরা প্রধানত আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ, যাঁরা পৃথিবীতে আল্লাহর বাণী প্রচার করতে আগমন করেছেন। তাঁরা রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন দ্বিনি প্রয়োজন পূরণের জন্য। তাঁদের শিক্ষা ও কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলাও এক ধরনের ভুল চিন্তা। রাজনীতির ব্যাপারে ইসলামের মূল অবস্থান হলো এমন মুসলমানদের চেষ্টা ও আল্লাহর সাহায্যে যেখানে মুসলিম সম্প্রদায় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব লাভ করবে, সেখানে তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বর্ণিত বিধান কার্যকর করবে, ইসলামের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় বিধানগুলো বাস্তবায়ন করবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি তাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা দান করলে তারা নামাজ কায়েম করবে, জাকাত দেবে, সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে; আর সব কর্মের পরিণাম আল্লাহর ইচ্ছাধীন।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ৪১) আয়াতে আল্লাহ মুসলমানদের রাজনৈতিক সাফল্যকে নিজের ইচ্ছাধীন বলেই ঘোষণা করেছেন। নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর রাজনৈতিক মতাদর্শ ও চিন্তাধারার প্রকাশ হলো খেলাফত। আর খেলাফতের ব্যবস্থার মূলকথা হলো, মুসলিম শাসক এবং অন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নিজেদের সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে শাসন কার্য পরিচালনা করে এবং ফলস্বরূপ, তারা তাঁর কাছে জবাবদিহি করে। ইসলামী শিক্ষার প্রেক্ষাপটে যেহেতু সবাই আল্লাহর বান্দা, তাই শাসকদের উচিত তাঁর দাসত্বের অনুভূতির সঙ্গে সব রাষ্ট্রীয় বিষয় পরিচালনা করা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন যে তোমরা আমানত তার হকদারদের কাছে প্রত্যর্পণ করতে।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৪১) ইসলামী খেলাফতের মূলনীতি হলো, যদি আল্লাহ ন্যায়পরায়ণ হন, তাহলে তাঁর খলিফা হিসেবে যাঁরা শাসন করবেন তাঁরাও ন্যায়পরায়ণ হবেন। আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির প্রতি করুণাময়, তাই শাসকও করুণা ও করুণার মূর্ত প্রতীক হবেন। মুহাম্মদ সা.-এর প্রতিষ্ঠিত কল্যাণ রাষ্ট্র মানব ইতিহাসের অন্যতম সফল ও আদর্শ রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে পরিগণিত।
संत गरीबदास जी महाराज मुल्ला-काजियों से पूछते हैं: जा ममड़ी का दूध पीवत हो, दही घृत बहुत खाई। जा कूँ फिर हलाल करत हो, ले कर कर्द कसाई।। अर्थात जिस गाय माता का दूध और घी खाकर मनुष्य पलता है, उसी पर छुरी चलाना कसाईपन और भारी कृतघ्नता है।
My prophet Muhammad (ﷺ) is the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model https://www.youtube.com/watch?v=DdWxCVYAOCk https://www.youtube.com/watch?v=lU1hf_cUeIE https://www.youtube.com/watch?v=gcUIiL3Qxhw My Prophet Muhammad Pbuh Prophet Muhammad (ﷺ) is revered as the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model (Uswatun Hasanah) who exemplified compassion, truthfulness, and justice, guiding humanity toward faith, ethical living, and peace. He is regarded as the beloved of Allah.Final Messenger: As the “Seal of the Prophets,” he brought the final divine guidance (the Quran) to humanity.Mercy to Mankind: He was sent as a blessing to the world, embodying love and compassion even for his enemies.Perfect Character: Known as Al-Amin (the Trustworthy) and As-Sadiq (the Truthful) even before his prophethood, he taught high ethical standards, kindness, and humility.Ideal Role Model: He demonstrated how to be a balanced leader, family man, and compassionate neighbor, focusing on helping the poor, honoring women, and caring for children.Messenger of Love: He taught love for humanity and that the best people are those who treat their families the best.Muslims study his life (Sunnah) to learn how to live a life pleasing to God and to find inner peace. My Prophet Muhammad PBUH My prophet Muhammad PBUH ﷺ is the Final Messenger of Allah, sent as a mercy to all creation🕌💚محمدﷺ💚
আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম https://www.youtube.com/watch?v=f74nV31QXK4 https://www.youtube.com/watch?v=5zWTInJqD5k&t=12s https://www.youtube.com/watch?v=PtjGaQ0_kpU https://www.youtube.com/watch?v=G8ljaRJ3Dd4 হাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নবী (সাঃ) ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী, যিনি প্রেম, করুণা, সততা এবং আল্লাহর প্রতি অটল নিষ্ঠার সাথে জীবনযাপন করেছেন। তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন পছন্দ করতেন এবং সর্বদা ভারসাম্য বজায় রাখতেন। ৫৮০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মক্কায় জন্ম নিয়ে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত লাভ করেন এবং ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন।নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা: তিনি ‘আল-আমিন’ (বিশ্বস্ত) উপাধিতে পরিচিত ছিলেন এবং শত্রুরাও তাদের মূল্যবান সম্পদ তার কাছে গচ্ছিত রাখত।সাদামাটা জীবন: মক্কার মত প্রভাবশালী নেতা হওয়ার পরেও তিনি মাটির বিছানায় ঘুমানোসহ অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন।দয়া ও করুণা: তিনি মানুষের প্রতি, এমনকি পশুপাখির প্রতিও অত্যন্ত সদয় ছিলেন।ক্ষমাশীলতা: মক্কা বিজয়ের পর তিনি তার সবচেয়ে বড় শত্রুদেরও সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।সাহসিকতা: তিনি কখনোই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছপা হননি এবং সাহাবীদের সাথে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।দানশীলতা: তিনি নিজের কাছে কিছু না রেখে সব কিছু দান করে দিতে পছন্দ করতেন।মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবন এবং আদর্শ আমাদের জন্য পাথেয়, যা বর্তমান সময়ের সব সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম https://www.youtube.com/watch?v=f74nV31QXK4 https://www.youtube.com/watch?v=5zWTInJqD5k&t=12s https://www.youtube.com/watch?v=PtjGaQ0_kpU https://www.youtube.com/watch?v=G8ljaRJ3Dd4 হাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নবী (সাঃ) ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী, যিনি প্রেম, করুণা, সততা এবং আল্লাহর প্রতি অটল নিষ্ঠার সাথে জীবনযাপন করেছেন। তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন পছন্দ করতেন এবং সর্বদা ভারসাম্য বজায় রাখতেন। ৫৮০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মক্কায় জন্ম নিয়ে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত লাভ করেন এবং ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন।নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা: তিনি ‘আল-আমিন’ (বিশ্বস্ত) উপাধিতে পরিচিত ছিলেন এবং শত্রুরাও তাদের মূল্যবান সম্পদ তার কাছে গচ্ছিত রাখত।সাদামাটা জীবন: মক্কার মত প্রভাবশালী নেতা হওয়ার পরেও তিনি মাটির বিছানায় ঘুমানোসহ অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন।দয়া ও করুণা: তিনি মানুষের প্রতি, এমনকি পশুপাখির প্রতিও অত্যন্ত সদয় ছিলেন।ক্ষমাশীলতা: মক্কা বিজয়ের পর তিনি তার সবচেয়ে বড় শত্রুদেরও সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।সাহসিকতা: তিনি কখনোই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছপা হননি এবং সাহাবীদের সাথে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।দানশীলতা: তিনি নিজের কাছে কিছু না রেখে সব কিছু দান করে দিতে পছন্দ করতেন।মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবন এবং আদর্শ আমাদের জন্য পাথেয়, যা বর্তমান সময়ের সব সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
মহানবী (সা.)-এর প্রতিষ্ঠিত কল্যাণ রাষ্ট্র ( Welfare State) মানব ইতিহাসের অন্যতম সফল ও আদর্শ রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে পরিগণিত । নবী সঃ এর রাজনৈতিক সাফল্য মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্য ছিল নজিরবিহীন, যেখানে তিনি মদিনায় হিজরতের পর ৬২২ খ্রিস্টাব্দে একটি শক্তিশালী, ন্যায়পরায়ণ ও কল্যাণকামী নগর-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন । তিনি মদিনা সনদের মাধ্যমে বিভেদকবলিত আরব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে ধর্মীয় স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং সামাজিক সমতা নিশ্চিত করেন। তাঁর সুদূরপ্রসারী কূটনীতি, মক্কা বিজয় এবং শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি আরবে স্থিতিশীলতা এনেছিল । নবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্যের প্রধান দিকসমূহ: মদিনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা (৬২২ খ্রি.): হিজরতের পর তিনি মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি আদর্শ রাষ্ট্র স্থাপন করেন, যা ছিল সমসাময়িক বিশ্বের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা । মদিনা সনদ প্রণয়ন: এটি ছিল পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান। এর মাধ্যমে মুসলিম, ইহুদি ও অন্যান্য সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি: তিনি আরবের বিচ্ছিন্ন গোত্রগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী উম্মাহ গঠন করেন। এছাড়াও, রোম ও পারস্যের মতো মহাশক্তিদের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিয়ে তিনি কূটনৈতিক দক্ষতার পরিচয় দেন । মক্কা বিজয় ও ক্ষমা: অষ্টম হিজরিতে রক্তপাতহীন মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে তিনি তাঁর অসামান্য রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও উদারতার পরিচয় দেন, যা সমগ্র আরব উপদ্বীপে ইসলামের ভিত্তি মজবুত করে । ইনসাফ ও ন্যায়বিচার: শাসক হিসেবে তিনি মিত্র-শত্রু নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছিলেন, যা শাসনব্যবস্থায় নৈতিকতার মানদণ্ড স্থাপন করে]। নবীজির রাজনৈতিক দর্শন ও সাফল্য মহানবী (সা.)-এর জীবনের নানা দিকের আলোচনা মুসলমানকে উদ্দীপ্ত করে। কিন্তু সিরাত নিয়ে আলোচনার একটি কঠিন দিক হলো পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করতে পারা এবং সম্বোধিত ব্যক্তির সামনে তাঁকে পূর্ণাঙ্গরূপে পেশ করা। মহানবী (সা.)-এর জীবনকে সবচেয়ে সংক্ষিপ্তভাবে অথচ তাৎপর্যপূর্ণ বাক্যে উপস্থাপন করেছেন সাইয়েদা আয়েশা (রা.)। তিনি বলেন, তাঁর চরিত্র হলো কোরআন। অর্থাৎ নবীজি (সা.)-এর জীবনের সারকথা হলো কোরআন। এই হাদিসের ব্যাখ্যায় সাইয়েদ আতাউল্লাহ শাহ বুখারি (রহ.) বলেন, যখন মহানবী (সা.)-এর সিরাত (জীবনচরিত) কোরআন, যা আল্লাহ তাআলা ২৩ বছরে ক্রমান্বয়ে বর্ণনা করেছেন, তখন এটা কিভাবে সম্ভব এক লেখায় বা আলোচনায় মহানবী (সা.)-এর জীবনচরিত তুলে ধরা হবে! কিন্তু নবীজি (সা.)-এর একটি অলৌকিকত্ব হলো যখন তাঁর জীবনীর কোনো একটি বা দুটি দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়, তখন এমন নুর সৃষ্টি হয় যে সব অন্ধকার দূর হয়ে যায়। সেই বিশ্বাস থেকেই মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আদর্শ তুলে ধরা হলো। রাসুলে আকরাম (সা.)-এর রাজনৈতিক কর্মপন্থা এতটাই ফলপ্রসূ, সুদূরপ্রসারী ও কার্যকর ছিল, যা অমুসলিমদেরও বিস্মিত করে। তিনি যখন দ্বিনের আহবান শুরু করে এবং সাফা পর্বতের ওপর আরোহণ করে দ্বিনের আহবান জানান, তখন তিনি একা ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ১৩ বছর মক্কায় শত্রু ও বিদ্বেষী মানুষের ভেতর বসবাস করেন। এই সময়ে তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হননি, তিনি শুধু একজন দ্বিন প্রচারক হিসেবে মানুষকে আল্লাহর বাণী শুনিয়েছেন। এরপর তিনি মদিনায় ১০ বছর একজন শাসকের ভূমিকা পালন করেন। মাত্র একজন ব্যক্তি হিসেবে তিনি দ্বিনের দাওয়াত দেওয়া শুরু করেছিলেন আর ২৩ বছর পর যখন তাঁর ইন্তেকাল হয়, তখন সমগ্র আরব ভূখণ্ড তাঁর শাসনাধীন হয়। তাঁর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে রোমান সাম্রাজ্য ও পারস্য সাম্রাজ্যের মতো শক্তিশালী রাজত্বকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছেন। মহানবী (সা.)-এর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র মাত্র ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে তিনটি মহাদেশে সীমানা বিস্তার করে। আধুনিক যুগের একটি বড় ঘটনা ১১ সেপ্টেম্বরে টুইন টাওয়ারে হামলা। এই ঘটনার পর মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে একটি অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। যেখানে এটা স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয় যে মুহাম্মদ (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্য মুজিজা বা অলৌকিক বলেই মনে হয়। এটা অবশ্যই ভেবে দেখার মতো বিষয় যে আমেরিকার মতো একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্যকে স্বীকার করেছে এবং তাঁকে অলৌকিক বলেছে। মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্যের একটি বড় দিক হলো দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব। পৃথিবীতে অনেক ব্যক্তিই রাজনৈতিক সাফল্য লাভ করেছে। দিগ্বিজয়ী অনেক সম্রাট ও সাম্রাজ্যের ইতিহাস আমরা জানি। অনেক রাজনৈতিক দর্শন পৃথিবীকে প্রভাবিত করেছে। কিন্তু তাদের বেশির ভাগই আবেদন ধরে রাখতে পারেনি। কালক্রমে তা হারিয়ে গেছে। পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের নাম জানে। তিনি তাঁর রাজত্ব ভারতবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন। কিন্তু তা খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। তা সংকুচিত হতে হতে বর্তমান গ্রিসে গিয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। মানব ইতিহাসের একটি প্রভাবশালী সাম্রাজ্য ছিল রোমান সাম্রাজ্য। রোমান আইনকে আধুনিক আইনের ভিত্তিমূল মনে করা হয়। পশ্চিমা সভ্যতার অনেক জ্ঞান ও শাস্ত্রে রোমান সাম্রাজ্যের অবদান রয়েছে। বর্তমানে রোমান সাম্রাজ্য ইতিহাসের অংশ। রোমান সাম্রাজ্যের প্রতিনিধি হিসেবে শুধু ইতালি নামক রাষ্ট্রটি টিকে আছে। বিপরীতে মহানবী (সা.) যে বিস্তৃত অঞ্চল বিজয় করেছিলেন তার পুরোটা এখনো মুসলমানদের অধীনে রয়েছে। এমনকি সাহাবায়ে কেরাম (রা.) যে অঞ্চলগুলো জয় করেছিলেন তার প্রায় পুরোটা এখন মুসলমানদের অধীনে রয়েছে। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে মুসলমানরা যত অঞ্চল জয় করেছিল তার ভেতর স্পেন-পর্তুগালের মতো দু-একটি অঞ্চল ছাড়া বেশির ভাগ অঞ্চলে মুসলমানদের উপস্থিতি রয়েছে। এটা মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক আদর্শের সাফল্য। রাসুলুল্লাহ (সা.) সিরাতচর্চায় আলেম ও ইসলাম গবেষকরা দীর্ঘ সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে আলোচনা ও চর্চা তুলনামূলক কম হয়েছে। আর সেটার চর্চা না করার ফল হয়তো এটা হয়েছে যে ১৯২৩ সালে উসমানীয় খেলাফতের পতনের মাধ্যমে মুসলমানরা বৈশ্বিক নেতৃত্ব হারিয়েছে। তবে আল্লাহর অনুগ্রহ হলো, আল্লাহ মুসলমানদের অর্ধশতাধিক রাষ্ট্র দান করেছেন। এই রাষ্ট্রগুলো যদিও বিশ্বব্যবস্থায় বড় কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না, কিন্তু এটাও সত্য যে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে এড়িয়ে কোনো বৈশ্বিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাও সম্ভব নয়। মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক আদর্শ চর্চার ক্ষেত্রে বর্তমান যুগে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। একদিকে মুসলিম সমাজের একদল মানুষ নবীজি (সা.)-কে এমনভাবে উপস্থাপন করে থাকে, যেন তাঁকে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা তাঁর পবিত্রতার পরিপন্থী। অন্যদিকে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় রাজনীতির চূড়ান্ত ও একমাত্র লক্ষ্য হলো নেতৃত্ব ও ক্ষমতার চর্চা। ফলে মানুষ ভাবে একজন নবী কিভাবে ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের প্রতি আগ্রহী হতে পারে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, রাজনীতির বুনিয়াদ হলো মানব সমাজের শান্তি ও শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং দুর্বল মানুষের মুক্তি ও কল্যাণ। আর এই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য মহানবী (সা.) সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন। কোরআন ও হাদিসের বর্ণনা অনুসারে এই চেষ্টা পূর্ববর্তী নবী-রাসুলরাও করেছেন। এটাও স্মরণে রাখতে হবে যে নবী-রাসুলদের মূল পরিচয় রাজনৈতিক নেতা নয়। তাঁরা প্রধানত আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ, যাঁরা পৃথিবীতে আল্লাহর বাণী প্রচার করতে আগমন করেছেন। তাঁরা রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন দ্বিনি প্রয়োজন পূরণের জন্য। তাঁদের শিক্ষা ও কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলাও এক ধরনের ভুল চিন্তা। রাজনীতির ব্যাপারে ইসলামের মূল অবস্থান হলো এমন মুসলমানদের চেষ্টা ও আল্লাহর সাহায্যে যেখানে মুসলিম সম্প্রদায় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব লাভ করবে, সেখানে তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বর্ণিত বিধান কার্যকর করবে, ইসলামের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় বিধানগুলো বাস্তবায়ন করবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি তাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা দান করলে তারা নামাজ কায়েম করবে, জাকাত দেবে, সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে; আর সব কর্মের পরিণাম আল্লাহর ইচ্ছাধীন।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ৪১) আয়াতে আল্লাহ মুসলমানদের রাজনৈতিক সাফল্যকে নিজের ইচ্ছাধীন বলেই ঘোষণা করেছেন। নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর রাজনৈতিক মতাদর্শ ও চিন্তাধারার প্রকাশ হলো খেলাফত। আর খেলাফতের ব্যবস্থার মূলকথা হলো, মুসলিম শাসক এবং অন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নিজেদের সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে শাসন কার্য পরিচালনা করে এবং ফলস্বরূপ, তারা তাঁর কাছে জবাবদিহি করে। ইসলামী শিক্ষার প্রেক্ষাপটে যেহেতু সবাই আল্লাহর বান্দা, তাই শাসকদের উচিত তাঁর দাসত্বের অনুভূতির সঙ্গে সব রাষ্ট্রীয় বিষয় পরিচালনা করা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন যে তোমরা আমানত তার হকদারদের কাছে প্রত্যর্পণ করতে।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৪১) ইসলামী খেলাফতের মূলনীতি হলো, যদি আল্লাহ ন্যায়পরায়ণ হন, তাহলে তাঁর খলিফা হিসেবে যাঁরা শাসন করবেন তাঁরাও ন্যায়পরায়ণ হবেন। আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির প্রতি করুণাময়, তাই শাসকও করুণা ও করুণার মূর্ত প্রতীক হবেন। মুহাম্মদ সা.-এর প্রতিষ্ঠিত কল্যাণ রাষ্ট্র মানব ইতিহাসের অন্যতম সফল ও আদর্শ রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে পরিগণিত।
मांस खाने वाले शैतान कबीर, मांस खाय ते ढेड़ सब, मद पीवे सो नीच। कुल की दुर्मति पर हरै, राम कहे सो ऊंच।। कबीर परमेश्वर ने मांस खाने वाले को ढेड़ एवं शराब का सेवन करने वाले को नीच कहकर सम्बोधित किया है। तथा राम/परमात्मा की इबादत करने वाले को श्रेष्ठ बताया है। चाहे वह किसी भी जाति या धर्म का व्यक्ति हो। #मांस_खाना_हराम #जैसादर्दअपनेहो_ऐसाजान_बिरानै #मांस_खाना_हराम #Bakrid #EidNamaz #EidPrayers #JammuAndKashmir #EidAlAdha #मांस_खाना_हराम #GodDidNotCommand_Meateating #fbreels #prophetmuhammad #quran #nonveg #nonvegfood 🫴🏻 अब संत रामपाल जी महाराज जी के मंगल प्रवचन प्रतिदिन सुनिए…. 🏵️ ईश्वर टी.वी. पर सुबह 6:00 से 7:00 तक 🏵️ श्रद्धा MH ONE टी. वी. पर दोपहर 2:00 से 3:00 तक 🏵️ साधना टी. वी. पर शाम 7:30 से 8:30 तक 📣 Visit our YouTube channel Sant Rampal ji Maharaj 📌अधिक जानकारी के लिए PlayStore से “Sant Rampal Ji Maharaj” App Download करें ।
My prophet Muhammad (ﷺ) is the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model https://www.youtube.com/watch?v=DdWxCVYAOCk https://www.youtube.com/watch?v=lU1hf_cUeIE https://www.youtube.com/watch?v=gcUIiL3Qxhw My Prophet Muhammad Pbuh Prophet Muhammad (ﷺ) is revered as the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model (Uswatun Hasanah) who exemplified compassion, truthfulness, and justice, guiding humanity toward faith, ethical living, and peace. He is regarded as the beloved of Allah.Final Messenger: As the “Seal of the Prophets,” he brought the final divine guidance (the Quran) to humanity.Mercy to Mankind: He was sent as a blessing to the world, embodying love and compassion even for his enemies.Perfect Character: Known as Al-Amin (the Trustworthy) and As-Sadiq (the Truthful) even before his prophethood, he taught high ethical standards, kindness, and humility.Ideal Role Model: He demonstrated how to be a balanced leader, family man, and compassionate neighbor, focusing on helping the poor, honoring women, and caring for children.Messenger of Love: He taught love for humanity and that the best people are those who treat their families the best.Muslims study his life (Sunnah) to learn how to live a life pleasing to God and to find inner peace. My Prophet Muhammad PBUH My prophet Muhammad PBUH ﷺ is the Final Messenger of Allah, sent as a mercy to all creation🕌💚محمدﷺ💚
আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম https://www.youtube.com/watch?v=f74nV31QXK4 https://www.youtube.com/watch?v=5zWTInJqD5k&t=12s https://www.youtube.com/watch?v=PtjGaQ0_kpU https://www.youtube.com/watch?v=G8ljaRJ3Dd4 হাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নবী (সাঃ) ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী, যিনি প্রেম, করুণা, সততা এবং আল্লাহর প্রতি অটল নিষ্ঠার সাথে জীবনযাপন করেছেন। তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন পছন্দ করতেন এবং সর্বদা ভারসাম্য বজায় রাখতেন। ৫৮০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মক্কায় জন্ম নিয়ে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত লাভ করেন এবং ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন।নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা: তিনি ‘আল-আমিন’ (বিশ্বস্ত) উপাধিতে পরিচিত ছিলেন এবং শত্রুরাও তাদের মূল্যবান সম্পদ তার কাছে গচ্ছিত রাখত।সাদামাটা জীবন: মক্কার মত প্রভাবশালী নেতা হওয়ার পরেও তিনি মাটির বিছানায় ঘুমানোসহ অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন।দয়া ও করুণা: তিনি মানুষের প্রতি, এমনকি পশুপাখির প্রতিও অত্যন্ত সদয় ছিলেন।ক্ষমাশীলতা: মক্কা বিজয়ের পর তিনি তার সবচেয়ে বড় শত্রুদেরও সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।সাহসিকতা: তিনি কখনোই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছপা হননি এবং সাহাবীদের সাথে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।দানশীলতা: তিনি নিজের কাছে কিছু না রেখে সব কিছু দান করে দিতে পছন্দ করতেন।মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবন এবং আদর্শ আমাদের জন্য পাথেয়, যা বর্তমান সময়ের সব সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম https://www.youtube.com/watch?v=f74nV31QXK4 https://www.youtube.com/watch?v=5zWTInJqD5k&t=12s https://www.youtube.com/watch?v=PtjGaQ0_kpU https://www.youtube.com/watch?v=G8ljaRJ3Dd4 হাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নবী (সাঃ) ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী, যিনি প্রেম, করুণা, সততা এবং আল্লাহর প্রতি অটল নিষ্ঠার সাথে জীবনযাপন করেছেন। তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন পছন্দ করতেন এবং সর্বদা ভারসাম্য বজায় রাখতেন। ৫৮০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মক্কায় জন্ম নিয়ে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত লাভ করেন এবং ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন।নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা: তিনি ‘আল-আমিন’ (বিশ্বস্ত) উপাধিতে পরিচিত ছিলেন এবং শত্রুরাও তাদের মূল্যবান সম্পদ তার কাছে গচ্ছিত রাখত।সাদামাটা জীবন: মক্কার মত প্রভাবশালী নেতা হওয়ার পরেও তিনি মাটির বিছানায় ঘুমানোসহ অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন।দয়া ও করুণা: তিনি মানুষের প্রতি, এমনকি পশুপাখির প্রতিও অত্যন্ত সদয় ছিলেন।ক্ষমাশীলতা: মক্কা বিজয়ের পর তিনি তার সবচেয়ে বড় শত্রুদেরও সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।সাহসিকতা: তিনি কখনোই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছপা হননি এবং সাহাবীদের সাথে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।দানশীলতা: তিনি নিজের কাছে কিছু না রেখে সব কিছু দান করে দিতে পছন্দ করতেন।মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবন এবং আদর্শ আমাদের জন্য পাথেয়, যা বর্তমান সময়ের সব সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
My prophet Prophet Muhammad (ﷺ) is the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model https://www.youtube.com/watch?v=DdWxCVYAOCk https://www.youtube.com/watch?v=lU1hf_cUeIE https://www.youtube.com/watch?v=gcUIiL3Qxhw My Prophet Muhammad Pbuh Prophet Muhammad (ﷺ) is revered as the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model (Uswatun Hasanah) who exemplified compassion, truthfulness, and justice, guiding humanity toward faith, ethical living, and peace. He is regarded as the beloved of Allah.Final Messenger: As the “Seal of the Prophets,” he brought the final divine guidance (the Quran) to humanity.Mercy to Mankind: He was sent as a blessing to the world, embodying love and compassion even for his enemies.Perfect Character: Known as Al-Amin (the Trustworthy) and As-Sadiq (the Truthful) even before his prophethood, he taught high ethical standards, kindness, and humility.Ideal Role Model: He demonstrated how to be a balanced leader, family man, and compassionate neighbor, focusing on helping the poor, honoring women, and caring for children.Messenger of Love: He taught love for humanity and that the best people are those who treat their families the best.Muslims study his life (Sunnah) to learn how to live a life pleasing to God and to find inner peace. My Prophet Muhammad PBUH My prophet Muhammad PBUH ﷺ is the Final Messenger of Allah, sent as a mercy to all creation🕌💚محمدﷺ💚
My prophet Muhammad (ﷺ) is the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model https://www.youtube.com/watch?v=DdWxCVYAOCk https://www.youtube.com/watch?v=lU1hf_cUeIE https://www.youtube.com/watch?v=gcUIiL3Qxhw My Prophet Muhammad Pbuh Prophet Muhammad (ﷺ) is revered as the final messenger of Allah, sent as a mercy to all creation. Muslims love him as a perfect role model (Uswatun Hasanah) who exemplified compassion, truthfulness, and justice, guiding humanity toward faith, ethical living, and peace. He is regarded as the beloved of Allah.Final Messenger: As the “Seal of the Prophets,” he brought the final divine guidance (the Quran) to humanity.Mercy to Mankind: He was sent as a blessing to the world, embodying love and compassion even for his enemies.Perfect Character: Known as Al-Amin (the Trustworthy) and As-Sadiq (the Truthful) even before his prophethood, he taught high ethical standards, kindness, and humility.Ideal Role Model: He demonstrated how to be a balanced leader, family man, and compassionate neighbor, focusing on helping the poor, honoring women, and caring for children.Messenger of Love: He taught love for humanity and that the best people are those who treat their families the best.Muslims study his life (Sunnah) to learn how to live a life pleasing to God and to find inner peace. My Prophet Muhammad PBUH My prophet Muhammad PBUH ﷺ is the Final Messenger of Allah, sent as a mercy to all creation🕌💚محمدﷺ💚
আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম https://www.youtube.com/watch?v=f74nV31QXK4 https://www.youtube.com/watch?v=5zWTInJqD5k&t=12s https://www.youtube.com/watch?v=PtjGaQ0_kpU https://www.youtube.com/watch?v=G8ljaRJ3Dd4 হাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নবী (সাঃ) ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী, যিনি প্রেম, করুণা, সততা এবং আল্লাহর প্রতি অটল নিষ্ঠার সাথে জীবনযাপন করেছেন। তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন পছন্দ করতেন এবং সর্বদা ভারসাম্য বজায় রাখতেন। ৫৮০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মক্কায় জন্ম নিয়ে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত লাভ করেন এবং ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন।নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা: তিনি ‘আল-আমিন’ (বিশ্বস্ত) উপাধিতে পরিচিত ছিলেন এবং শত্রুরাও তাদের মূল্যবান সম্পদ তার কাছে গচ্ছিত রাখত।সাদামাটা জীবন: মক্কার মত প্রভাবশালী নেতা হওয়ার পরেও তিনি মাটির বিছানায় ঘুমানোসহ অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন।দয়া ও করুণা: তিনি মানুষের প্রতি, এমনকি পশুপাখির প্রতিও অত্যন্ত সদয় ছিলেন।ক্ষমাশীলতা: মক্কা বিজয়ের পর তিনি তার সবচেয়ে বড় শত্রুদেরও সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।সাহসিকতা: তিনি কখনোই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছপা হননি এবং সাহাবীদের সাথে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।দানশীলতা: তিনি নিজের কাছে কিছু না রেখে সব কিছু দান করে দিতে পছন্দ করতেন।মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবন এবং আদর্শ আমাদের জন্য পাথেয়, যা বর্তমান সময়ের সব সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
The Power of Imitating the Prophet: Sahaba’s Unwavering Devotion | Shaykh Ahmad Dabbagh Just watched “The Power of Imitating the Prophet: Sahaba’s Unwavering Devotion” by Shaykh Ahmad Dabbagh . A powerful talk on how the Sahaba’s devotion to the Prophet ﷺ shaped their lives and how we can imitate their example. Highly recommended!
মহানবী (সা.)-এর প্রতিষ্ঠিত কল্যাণ রাষ্ট্র ( Welfare State) মানব ইতিহাসের অন্যতম সফল ও আদর্শ রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে পরিগণিত । নবী সঃ এর রাজনৈতিক সাফল্য মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্য ছিল নজিরবিহীন, যেখানে তিনি মদিনায় হিজরতের পর ৬২২ খ্রিস্টাব্দে একটি শক্তিশালী, ন্যায়পরায়ণ ও কল্যাণকামী নগর-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন । তিনি মদিনা সনদের মাধ্যমে বিভেদকবলিত আরব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে ধর্মীয় স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং সামাজিক সমতা নিশ্চিত করেন। তাঁর সুদূরপ্রসারী কূটনীতি, মক্কা বিজয় এবং শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি আরবে স্থিতিশীলতা এনেছিল । নবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্যের প্রধান দিকসমূহ: মদিনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা (৬২২ খ্রি.): হিজরতের পর তিনি মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি আদর্শ রাষ্ট্র স্থাপন করেন, যা ছিল সমসাময়িক বিশ্বের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা । মদিনা সনদ প্রণয়ন: এটি ছিল পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান। এর মাধ্যমে মুসলিম, ইহুদি ও অন্যান্য সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি: তিনি আরবের বিচ্ছিন্ন গোত্রগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী উম্মাহ গঠন করেন। এছাড়াও, রোম ও পারস্যের মতো মহাশক্তিদের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিয়ে তিনি কূটনৈতিক দক্ষতার পরিচয় দেন । মক্কা বিজয় ও ক্ষমা: অষ্টম হিজরিতে রক্তপাতহীন মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে তিনি তাঁর অসামান্য রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও উদারতার পরিচয় দেন, যা সমগ্র আরব উপদ্বীপে ইসলামের ভিত্তি মজবুত করে । ইনসাফ ও ন্যায়বিচার: শাসক হিসেবে তিনি মিত্র-শত্রু নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছিলেন, যা শাসনব্যবস্থায় নৈতিকতার মানদণ্ড স্থাপন করে]। নবীজির রাজনৈতিক দর্শন ও সাফল্য মহানবী (সা.)-এর জীবনের নানা দিকের আলোচনা মুসলমানকে উদ্দীপ্ত করে। কিন্তু সিরাত নিয়ে আলোচনার একটি কঠিন দিক হলো পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করতে পারা এবং সম্বোধিত ব্যক্তির সামনে তাঁকে পূর্ণাঙ্গরূপে পেশ করা। মহানবী (সা.)-এর জীবনকে সবচেয়ে সংক্ষিপ্তভাবে অথচ তাৎপর্যপূর্ণ বাক্যে উপস্থাপন করেছেন সাইয়েদা আয়েশা (রা.)। তিনি বলেন, তাঁর চরিত্র হলো কোরআন। অর্থাৎ নবীজি (সা.)-এর জীবনের সারকথা হলো কোরআন। এই হাদিসের ব্যাখ্যায় সাইয়েদ আতাউল্লাহ শাহ বুখারি (রহ.) বলেন, যখন মহানবী (সা.)-এর সিরাত (জীবনচরিত) কোরআন, যা আল্লাহ তাআলা ২৩ বছরে ক্রমান্বয়ে বর্ণনা করেছেন, তখন এটা কিভাবে সম্ভব এক লেখায় বা আলোচনায় মহানবী (সা.)-এর জীবনচরিত তুলে ধরা হবে! কিন্তু নবীজি (সা.)-এর একটি অলৌকিকত্ব হলো যখন তাঁর জীবনীর কোনো একটি বা দুটি দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়, তখন এমন নুর সৃষ্টি হয় যে সব অন্ধকার দূর হয়ে যায়। সেই বিশ্বাস থেকেই মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আদর্শ তুলে ধরা হলো। রাসুলে আকরাম (সা.)-এর রাজনৈতিক কর্মপন্থা এতটাই ফলপ্রসূ, সুদূরপ্রসারী ও কার্যকর ছিল, যা অমুসলিমদেরও বিস্মিত করে। তিনি যখন দ্বিনের আহবান শুরু করে এবং সাফা পর্বতের ওপর আরোহণ করে দ্বিনের আহবান জানান, তখন তিনি একা ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ১৩ বছর মক্কায় শত্রু ও বিদ্বেষী মানুষের ভেতর বসবাস করেন। এই সময়ে তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হননি, তিনি শুধু একজন দ্বিন প্রচারক হিসেবে মানুষকে আল্লাহর বাণী শুনিয়েছেন। এরপর তিনি মদিনায় ১০ বছর একজন শাসকের ভূমিকা পালন করেন। মাত্র একজন ব্যক্তি হিসেবে তিনি দ্বিনের দাওয়াত দেওয়া শুরু করেছিলেন আর ২৩ বছর পর যখন তাঁর ইন্তেকাল হয়, তখন সমগ্র আরব ভূখণ্ড তাঁর শাসনাধীন হয়। তাঁর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে রোমান সাম্রাজ্য ও পারস্য সাম্রাজ্যের মতো শক্তিশালী রাজত্বকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছেন। মহানবী (সা.)-এর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র মাত্র ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে তিনটি মহাদেশে সীমানা বিস্তার করে। আধুনিক যুগের একটি বড় ঘটনা ১১ সেপ্টেম্বরে টুইন টাওয়ারে হামলা। এই ঘটনার পর মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে একটি অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। যেখানে এটা স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয় যে মুহাম্মদ (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্য মুজিজা বা অলৌকিক বলেই মনে হয়। এটা অবশ্যই ভেবে দেখার মতো বিষয় যে আমেরিকার মতো একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্যকে স্বীকার করেছে এবং তাঁকে অলৌকিক বলেছে। মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক সাফল্যের একটি বড় দিক হলো দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব। পৃথিবীতে অনেক ব্যক্তিই রাজনৈতিক সাফল্য লাভ করেছে। দিগ্বিজয়ী অনেক সম্রাট ও সাম্রাজ্যের ইতিহাস আমরা জানি। অনেক রাজনৈতিক দর্শন পৃথিবীকে প্রভাবিত করেছে। কিন্তু তাদের বেশির ভাগই আবেদন ধরে রাখতে পারেনি। কালক্রমে তা হারিয়ে গেছে। পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের নাম জানে। তিনি তাঁর রাজত্ব ভারতবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন। কিন্তু তা খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। তা সংকুচিত হতে হতে বর্তমান গ্রিসে গিয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। মানব ইতিহাসের একটি প্রভাবশালী সাম্রাজ্য ছিল রোমান সাম্রাজ্য। রোমান আইনকে আধুনিক আইনের ভিত্তিমূল মনে করা হয়। পশ্চিমা সভ্যতার অনেক জ্ঞান ও শাস্ত্রে রোমান সাম্রাজ্যের অবদান রয়েছে। বর্তমানে রোমান সাম্রাজ্য ইতিহাসের অংশ। রোমান সাম্রাজ্যের প্রতিনিধি হিসেবে শুধু ইতালি নামক রাষ্ট্রটি টিকে আছে। বিপরীতে মহানবী (সা.) যে বিস্তৃত অঞ্চল বিজয় করেছিলেন তার পুরোটা এখনো মুসলমানদের অধীনে রয়েছে। এমনকি সাহাবায়ে কেরাম (রা.) যে অঞ্চলগুলো জয় করেছিলেন তার প্রায় পুরোটা এখন মুসলমানদের অধীনে রয়েছে। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে মুসলমানরা যত অঞ্চল জয় করেছিল তার ভেতর স্পেন-পর্তুগালের মতো দু-একটি অঞ্চল ছাড়া বেশির ভাগ অঞ্চলে মুসলমানদের উপস্থিতি রয়েছে। এটা মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক আদর্শের সাফল্য। রাসুলুল্লাহ (সা.) সিরাতচর্চায় আলেম ও ইসলাম গবেষকরা দীর্ঘ সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে আলোচনা ও চর্চা তুলনামূলক কম হয়েছে। আর সেটার চর্চা না করার ফল হয়তো এটা হয়েছে যে ১৯২৩ সালে উসমানীয় খেলাফতের পতনের মাধ্যমে মুসলমানরা বৈশ্বিক নেতৃত্ব হারিয়েছে। তবে আল্লাহর অনুগ্রহ হলো, আল্লাহ মুসলমানদের অর্ধশতাধিক রাষ্ট্র দান করেছেন। এই রাষ্ট্রগুলো যদিও বিশ্বব্যবস্থায় বড় কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না, কিন্তু এটাও সত্য যে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে এড়িয়ে কোনো বৈশ্বিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাও সম্ভব নয়। মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক আদর্শ চর্চার ক্ষেত্রে বর্তমান যুগে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। একদিকে মুসলিম সমাজের একদল মানুষ নবীজি (সা.)-কে এমনভাবে উপস্থাপন করে থাকে, যেন তাঁকে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা তাঁর পবিত্রতার পরিপন্থী। অন্যদিকে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় রাজনীতির চূড়ান্ত ও একমাত্র লক্ষ্য হলো নেতৃত্ব ও ক্ষমতার চর্চা। ফলে মানুষ ভাবে একজন নবী কিভাবে ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের প্রতি আগ্রহী হতে পারে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, রাজনীতির বুনিয়াদ হলো মানব সমাজের শান্তি ও শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং দুর্বল মানুষের মুক্তি ও কল্যাণ। আর এই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য মহানবী (সা.) সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন। কোরআন ও হাদিসের বর্ণনা অনুসারে এই চেষ্টা পূর্ববর্তী নবী-রাসুলরাও করেছেন। এটাও স্মরণে রাখতে হবে যে নবী-রাসুলদের মূল পরিচয় রাজনৈতিক নেতা নয়। তাঁরা প্রধানত আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ, যাঁরা পৃথিবীতে আল্লাহর বাণী প্রচার করতে আগমন করেছেন। তাঁরা রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন দ্বিনি প্রয়োজন পূরণের জন্য। তাঁদের শিক্ষা ও কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলাও এক ধরনের ভুল চিন্তা। রাজনীতির ব্যাপারে ইসলামের মূল অবস্থান হলো এমন মুসলমানদের চেষ্টা ও আল্লাহর সাহায্যে যেখানে মুসলিম সম্প্রদায় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব লাভ করবে, সেখানে তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বর্ণিত বিধান কার্যকর করবে, ইসলামের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় বিধানগুলো বাস্তবায়ন করবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি তাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা দান করলে তারা নামাজ কায়েম করবে, জাকাত দেবে, সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে; আর সব কর্মের পরিণাম আল্লাহর ইচ্ছাধীন।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ৪১) আয়াতে আল্লাহ মুসলমানদের রাজনৈতিক সাফল্যকে নিজের ইচ্ছাধীন বলেই ঘোষণা করেছেন। নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর রাজনৈতিক মতাদর্শ ও চিন্তাধারার প্রকাশ হলো খেলাফত। আর খেলাফতের ব্যবস্থার মূলকথা হলো, মুসলিম শাসক এবং অন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নিজেদের সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে শাসন কার্য পরিচালনা করে এবং ফলস্বরূপ, তারা তাঁর কাছে জবাবদিহি করে। ইসলামী শিক্ষার প্রেক্ষাপটে যেহেতু সবাই আল্লাহর বান্দা, তাই শাসকদের উচিত তাঁর দাসত্বের অনুভূতির সঙ্গে সব রাষ্ট্রীয় বিষয় পরিচালনা করা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন যে তোমরা আমানত তার হকদারদের কাছে প্রত্যর্পণ করতে।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৪১) ইসলামী খেলাফতের মূলনীতি হলো, যদি আল্লাহ ন্যায়পরায়ণ হন, তাহলে তাঁর খলিফা হিসেবে যাঁরা শাসন করবেন তাঁরাও ন্যায়পরায়ণ হবেন। আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির প্রতি করুণাময়, তাই শাসকও করুণা ও করুণার মূর্ত প্রতীক হবেন। মুহাম্মদ সা.-এর প্রতিষ্ঠিত কল্যাণ রাষ্ট্র মানব ইতিহাসের অন্যতম সফল ও আদর্শ রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে পরিগণিত।
#prophetmuhammad is a Tumblr tag people add to their posts so others can find related content. This page collects public posts tagged #prophetmuhammad from blogs across Tumblr so you can browse them in one place.
Yes. Zoomblr shows posts tagged #prophetmuhammad with no login or account required — just scroll the feed above. It's completely free.
Open the blog of any post you like via its link, then use Zoomblr's post viewer to download the image in full resolution.
Zoomblr is a free Tumblr viewer — view and download any public blog's avatar and posts without an account.